Latest Post


Uthana Baithaka Backyard meeting 1st episode. (Discussion review-based program). Subject People and elections of Parbatipur. Crowds of Guests In favor of participating voters. Mr. Akhter Hossain on behalf of the voters of Parbatipur Municipality. Mr. Shahidul Haque, a heroic freedom fighter on behalf of the voters of Rampur Union No. 3. Mr. Md. Abul Qasim on behalf of the voters of 4th Palashbari Union Parishad. Chairman of the Union Parishad Ekramul Haque Acting Chairman 3rd Rampur Union Parishad. Mayor of Parbatipur Alhaj: Mr. AZM Menhazul Haque. Chairman of Parbatipur Upazila Parishad Alhaj: Mr. Hafizul Islam is authentic. Special guest Journalist Manjurul Alam. Collaboration Helal Abdullah Al Milon Abdul Alim Sultan. Camera lights Bahanur. Editor By Habib Iftekhar. Production By MK Television.

https://youtu.be/Gfiz5gzh7zc




The Monster of Corona | করোনা দৈত্য । নাটক | New natok 2021 | MK TV ========= করোনা দৈত্য একটি কাল্পনিক গল্প অবলম্বনে সময় কাল ২৫ মার্চ ২০২১ইং ক্যামেরা ও এডিটিং আজমল হক আদিল সহযোগীতা নাহার ভিডিও কাঁচাবাড়ি, বদরগঞ্জ, রংপুর। অভিনয় নায়ক মিলন-রাসেল নায়িকা রেবা-শিমু হাবাগোবা সাকিব/জিন্নাহ করোনা আক্রান্ত জিয়া/ভবেশ কবি সাকিবের ভাবী রুমি/পারভিন করোনা দৈত্য মঞ্জিল হাসান রিপন চেয়ারম্যান নুরআলম দফাদার রুস্তম প্রতিবেশী কল্পনা রোমান এ এন এম শামসুজ্জামান বখাটে শাহীন রফিক ডাক্তার আবুবক্কর ডাক্তার শাফিন মিজানুর নায়িকার বাবা মোকছেদুল শাকিরুল শুকরু রচনা ও পরিচালনা এ এন এম শামসুজ্জামান পরিবেশিত এম কে টেলিভিশন

 " মুখের পাসওয়ার্ড চুরি করে ওই বড় চোর"

                                                               - মোজাহিদ ইফতেখার হাবিব


#######
তুমিও কি ওৎ পেতে রাত্রি জাগো!
আমিতো সমাজের ঘরে অন্যায় আর্বজনা সময়ের কাছ থেকে
টুপ করে নিয়ে মগজে মগজে ঘোষাঘোষি করে ক্ষুধা নিবারন করি।
তুমিও তো আমার মত ঝুপ করে, চুপ মরে, টুপ করে
অন্যের বাড়ি থেকে অর্থ-টাকাকড়ি, লটিঘটি, সুযোগ পেলে
মহামূল্যবান ধন, সোনাদানা, মনিমুক্তার গহনাও ছেদ করে,
পেটের দায়ে পিক করে,
কত কম দামে চোষকের মুখে নিজেকে বেচে বিক্রি হও
দায়িত্বশীল হয়ে শুধু পরিজনের বাঁচার তাগিদে।
অথচ ধরা পরলেই ধোপার ধোলাই,
আক্ষরিক বর্ণমালায় রূপান্তরিত হয় তোমার শরীর!
আমারো হয় তবে আমি ধরা পড়ি দিন রাত সমান তালে।
আমার অন্তঃক্ষরনে চিড়ে-কুড়ে, রক্ত চুঁষে অক্টোপাসের চোষকরা।
আর-
তোমার শারীরিক ছন্দে তোমার প্রিয়তমা কেঁদে!
উনুনে বসে ভালোবাসাকে ভেজে উসুম-কুসুম তৈল্যরসুনের গন্ধে
খসখসে হাতে আবিরের মালিসে আবিস্কৃত হও।
আর দেখ, আমার বেলাতেই ঠিক উল্ঠো।
ঝাঁঝালো উচ্চারণ,
প্রাণ হাতে নিয়েও তবু শেষ নেই- ক্রোধান্নিত জবাবে
সজন, সহকারীরা আঙ্গুল উঁচিয়ে বদ করে।
অথচ দেখ তোমার আমার পার্থক্য কত?
তুমি কত কষ্ট করো কায়িক শ্রমে,
দু'হাত শরীরের বেঁধে, বুদ্ধিকে সেজে,
অন্ধকারে চোখ মেলে,
অনায়াসেই মাল নিয়ে ঘরে ফিরলেই
সোহাগী বদনের হাঁসি মুখ উচ্ছলে উঠে সেই সাথে,
আঁচলে দুহাতে লুকিয়ে উপরে তাঁকিয়ে বিড়বিড়িয়ে
তোমার বুকের ঘাম চুমিয়ে ঘরে টেনে নেয়।
আর আমি,
ঘরের ভিতরে আয়েস করে বসে শুয়ে, চিত-কাত হয়ে
আঙ্গুল দিয়েই অক্ষর ছাপি দেখে
ঘুমন্ত মানুষগুলো চেঁচামেচির পিচকারিতে গলা শুকিয়ে যায়, দৃষ্টিভ্রমে ভঙ্কুর হই- হয়ে যাই,
শ্লোগতৃপ্ত হবার অগেই পিপাসিত করেই অন্ধকারের বহিরগমনে ঠেলে দেয় আমায়।
আমি তো আঁধারে অন্ধ
রাতকানা।
এ কোন অপরাধ
আমি তো আঁধারের ঘনত্বে অক্ষরে এঁকে, অন্ধকারের অন্যায় চুরি করে
সমাজকে বাঁচাতে চাই।
আর তুমি পরিবারকে।
এখানেই আমরা অপরাধী, আহ্ আমরাই অপরাধী।
দেখছো এখানে কত মিলো আমাদের।
অথচ বড় অন্যায়কারী আর অর্থশালীরা
তোমাকে আমাকে বেঁচে থাকার নিঃচিন্ত সময় উপহার দিয়ে
চিন্তা মুক্তর আবাসিত বাসনা দিতে পারে।
কিন্তু দিবে না, করবে না, কর্মশান্তিকে লুপ্ত করে রাখবে তারা।
আর সমাজের সমস্ত স্বগীয় সুখ
তোমার আমার কথার পাসওয়ার্ড চুরি করে
সিন্দুক সাজিয়ে বানাচ্ছে আদালত- দেখ
ওই সেই আদালতের সবচেয়ে বড় চোর।
কারন আমাদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই।
তাহলে আমি এই আন্ধার রাইতে একলা যাই কই?
জেলখানাও তো তোমার দখলে....


############
15-02-2021


 "চোখ খুললেই আলো মিলবে"

- মোজাহিদ ইফতেখার হাবিব


চোখ খুললেই আলো মিলবে,
সেই আলো দিয়ে আধাছটাক তুল্য কবিতা এঁকো মনে।

ইদানিং কবিতাগুলো ঝড়োকাক-
কোকিল ছানার দৃষ্টির আশ্বাসিত দৃশ্য ।

দোদুল্যমান ঝড়ের প্রশ্বাস দোলে-
কন্ঠের মাঝে ভীতু সঞ্চার-
কি হয় না হয়- বাসায় ডিম।
কাকের চোখে ডিম্বোসিক্ত প্রজন্ম চোখ মিলবে-
জাতের মান মুকুট হয়ে গাছের মুকুলে
কবিতার উৎশ্বাসিত ধ্বনীর ছড়াবে।
হঠাৎ ঝড়োমন্ত্রের হুংকারীত ঝলকানীতে কাককন্ঠ বিবস্ত্র হয়ে যায়।

ডিম্বো কোকিল ছানা উস্ম-কুসুম তাপাস্নেহ থেকে হিম মাদলে
বাসায় গড়াগড়ি খায়, ঠক্কর খায়,
ডিম্বোসিক্ত সাথীদের সাথে।
ভাবনার চোখ মেলে, এভাবেই
সময় পোষ মানে।
কোকিল ছানার আনন্দিত-উৎসব।
চোখ মিললেই আলোকে
শাসিয়ে শাসন করবো কবিতাকে।
এত বিদ্রুপ কিসের? চোখ মিলতে দাও!
কোকিল ছানা আষ্টেপৃষ্ঠে ডিম্বোকুন্ডলীতে
কান পেতে শুনতো মায়ের আবৃত্তি,
কিন্তু মা-ধ্বনী কই?
হঠাৎ ডিম্বোবৃন্তে মায়ের বিপদি বার্তা ধাক্কা খায়।
প্রতিধ্বনিত মনে ছানার বিচলিত অহমের কাঁকুতিতে
লাথি মেরে মেরে ডিম্বোকুন্ড ভেঙ্গে চেঁচিয়ে আবৃত্তি করে উঠলো -
মা...।
আর তখনি একটি অজানা শব্দ নিয়ে উপর থেকে নীচে।
পাশে পড়ে থাকা ভঙ্গ খোলস দেখে নগ্ন ছানা।
ছানা আস্তে আস্তে কচি ডানায় সেলুট করে চোখ মিলে বললো-
তুমি কি মা? মা কাঁদে।
ভোরের আলো আঁধারিতে কেঁদেছে ।
কষ্ঠের ছমকে ছমকে তাঁকিয়ে
আবার ছন্দের নিখুঁত অলঙ্কারে সুমিষ্ট সুরে সুর ধরে।
তোমাকে সৃষ্টি করবো বলেই ভয়কে জয় করলাম।
মাগো- তুমি আলোকিত উজ্জ্বল।
কোকিল ছানা ক্লান্ত, নিথর চোখে চেয়ে চোখ বুঁজে
কবিতার শেষ চরন জাত কন্ঠে বলে উঠলো
মা গো-
তোমার উষ্ণতায় আলিঙ্গন করো।
চোখ খুললেই আলো মিলবে,
সেই উজ্জ্বলতা দিয়ে আধাছটাক তুল্য
কবিতা এঁকো...........
মা......,!।

শিশিরের সাথে উবে গেল - ছন্দ!
আলোর চোখে শিশির ছোঁয়া কাঁন্না।
কাঁন্নার চাঁদরে ছানার দেহ আচ্ছাদিত হলো,
চারিদিক রক্তিম রণবেশের যোদ্ধাদের কুঁচকাওয়াজের আয়োজনে
উজ্জ্বলতায় জড়িয়ে রক্তিম সূর্য উঠলো ।
আর সেই থেকে কোকিল কন্ঠ প্রকৃতিতে সমাদৃত হলো।
13-02-2021 (ভোররাত ৪টা ) পার্বতীপুর দিনাজপুর।

Contact form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget